Home / dating mak vcd / Aki alamgir pussy

Aki alamgir pussy Sex cam online

সেদিন সকালে আমার ঘুম ভেঙ্গেছিল সকাল সাড়ে আটটায়। আমার যতটুকু মনে পড়ে হলের জীবনে আমি কোনদিন একটু শান্তি মত ঘুমাইতে পারি নাই। ন’টার বেশি তো কোন দিনই না। ঐদিন এমনিতেই বাহিরে কি একটা বিষয় নিয়ে পোলাপাইন বেশ হাউকাউ লাগাইছিল। তারপর উপর রুমের দরজাটাও খোলা ছিল। আবার এদিকে ছিল রুমের ছোট ভাইটার অত্যাচার। ও তখন ফার্স্ট ইয়ারে ছিল । যতক্ষণ সে রুমে থাকত ততক্ষণ ঘটঘট করে পড়ত । পুরা রুম ফাটায় ফালাইত। কত বুঝাইছি ওরে, “ভাইয়া, একটু আস্তে আস্তে পড়।” কিন্তু কার কথা কে শুনে। ওর নাকি জোরে জোরে না পড়লে পড়া মুখস্ত হয় না। আরে ভাই আমরা কি পড়ি নাই?এত্ত আওয়াজ তো করি নাই। এই কথাগুলা ওর কানের পাশ দিয়াও যাইতো না। মাঝে মাঝে ইচ্ছা হইতো তুইলা একটা আছাড় দেই। কিন্তু পরে আর দেয়ার দরকার হয় নাই। কারণ ওর ঘটঘটানি বন্ধ করার একাটা সুন্দর উপায় বের করেছিলাম।আমি বিছানায় শোয়া থেকে উঠে বসলাম । আমাকে উঠতে দেখে,শাওন,আমার রুমের সেই ছোট ভাই বলল, “ ভাইয়া,ঘুম ভাঙল?–হ্যাঁ,দেখি মানে দেখার চেষ্টা করেছিলাম কয়েকবার।–কেন? –দেখে ভাল লাগে না। সবগুলাই একরকম। কোন ভিন্নতা নাই। একঘেয়ে।–“তোমার তাহলে ভিন্নতাও দরকার,না?” সপ্না চোখ পাকিয়ে আমার দিকে তাকায় বলল।আমি সাথে সাথে বললাম, “না ঠিক তা না, It’s just boring.” আমি বলতে চাচ্ছিলাম করবো না। কিন্তু ও যেন আমায় সম্মোহিত করে ফেলেছিল। আমার মুখ দিয়ে বের হয়ে গেল, “করবো।” ও একটা হালকা মিউজিক ছেড়ে দিয়ে আমার কাছে এসে হাত ধরে দাঁড় করিয়ে দিল। আমি উঠে দাঁড়ালাম। ওর শরীরের কাছাকাছি হতেই ওর গা থেকে বডি স্প্রের একটা হালকা সুন্দর স্মেল নাকে আসলো। তারপর কিছুক্ষণ আমরা Ballroom Dance করলাম। সাধারণত এটা করে স্যুট,টাই আর লং স্কাট পইরা। আমরা সে রাতে করলাম সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে। অদ্ভুত মজা পেলাম। ডান্স করার সময় ওর শরীরে হাত দিয়ে অনুভব করলাম ওর স্কিনটা অনেক মসৃণ। পুরো শরীরেই একটা পরিচর্যার ছাপ ছিল। প্রায় আধা ঘণ্টা পরে আমি ওকে কোলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তারপর আমি ওর পাশে শুলাম। তখনও মিউজিকটা বাজছিল। আমি শুয়ে শুয়ে সেটা শুনছিলাম। সপ্না একটু পর গড়িয়ে এসে আমার উপর উঠল। আমি ওকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে ওর কপালে একটা চুমু দিলাম। আমার এখনও মনে পড়ে ওকে আমি খুব আলতো করে ধরেছিলাম। আমার কেন জানি মনে হচ্ছিল একটু চাপ খেলেই আমার এই মানুষরূপী পুতুলটা ভেঙে চুরচুর হয়ে যাবে। আমি ওকে চুমু দেবার পর সপ্নাও আমাকে চুমু দিল। এরপর দীর্ঘক্ষন আমরা লিপকিস করলাম একজন আরেকজনকে। ওর দুধ গুলো আমার খুউব ধরতে ইচ্ছা করছিল। কিন্তু মন সায় দিচ্ছিলো না। মনে হচ্ছিল ও মাইন্ড করতে পারে। তাই লিপকিসেই নিজেকে কষ্ট করে বেঁধে রাখলাম। যত না করছিলাম তার থেকে বেশি পাচ্ছিলাম। সপ্না নিজেই একটু পর আমার ডান হাতটা নিয়ে ওর দুধে ধরিয়ে দিল। আমি ওর দুধে হাত দিয়েই আঁতকে উঠলাম। এত্ত নরম শরীরের কোন অংশ হতে পারে আমার ধারনা ছিল না। আমি প্রথমে ওর দুধ গুলোতে হাত বুলাচ্ছিলাম। তারপর আস্তে আস্তে টিপতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর সপ্না আমার উপর থেকে নেমে গেল। আমি তখন ওর উপর উঠবো কিনা ভাবতে লাগলাম। স্বাভাবিক ভাবেই এর আগে কোন মেয়ের উপর উঠার Experience ছিল না। তাই ও ব্যাথা পাবে মনে করছিলাম। কিন্তু পরে দেখলাম ও খুব সুন্দর করে আমাকে absorb করে নিল। আমি ওর ঠোঁটে একটা কিস করলাম। সপ্নাও সাড়া দিল। সপ্নার লিপকিস মনে হয় অনেক প্রিয়। এটা অবশ্য ও আমার কাছে মুখে স্বীকার করে নাই। তবুও এখনও দেখি ও এই লিপকিস কে অনেক বেশি Priority দেয়। Even অফিসে যাবার আগেও একবার আর অফিস থেকে এসেও একবার কিস দিতেই হয়। আসলে দিতে হয়,না বলে,বলা উচিত ও আমার কাছ থেকে আদায় করে নেয়। আমার অবশ্য এটাতে সমস্যা নাই। ও যেটাতে মজা পাচ্ছে সেটা করতে আমার কি প্রবলেম?

” ও পাল্টা প্রশ্ন করলো।–“It’s up to you.” আমি সিম্পলি বললাম। “তোমার দেখাতে ইচ্ছা করলে দেখাবা,দেখব। আর না দেখাতে ইচ্ছা করলে দেখাইয়ো না। সমস্যা নাই।”–তাহলে তো তোমার দেখার কোন ইচ্ছাই নাই। কোন মেয়ে কি ইচ্ছা করে নিজেকে তার বয়ফ্রেন্ড এর সামনে Nude করে নাকি? ” ও হেসে বলল, “এটা হল জেল। লুব্রেকেটিং অয়েল। ছোট্ট রিফাতের জন্যে।” ও খাটের উপর উঠে আমার দুপায়ের মাঝে বসে অয়েলটা আমার বাড়াতে মাখিয়ে দিতে লাগল। মাখাতে মাখাতে বলল, “তোমার বাড়ার লোমগুলা কাটতে পারো না?” বুঝলাম ওর কাছে বন্ধের নোটিশটা আগেই চলে এসেছে। ঐদিন ছিল শনিবার। তাই সেদিনই রওয়ানা হলে সাতদিনই আম্মুর সাথে থাকতে পারবো এই ভেবে আমি আর ও দুইজনই ঐ দিনই রওয়ানা দেয়ার প্ল্যান করলাম।টয়লেট কর্ম শেষ করে যখন রুমে আসলাম তখন দেখি শাওন সেই পুরোনো ঘটঘটানি শুরু করছে। ওরে ডাক দিলাম, “শাওন? –হ্যাঁ,পারবো।–তাহলে তুমি আঁক। আঁকা হইলে আমাকে দেখাইও। ঠিক আছে?–ঠিক আছে।এই ছেলেটা সব কিছুতেই অনেক চেষ্টা করত। অনেক পরিশ্রম করত। কিন্তু চিন্তা করত জটিল করে। যেটার জন্য ও অনেক সহজ জিনিসও বুঝত না। আমি জানতাম ও আঁকতে পারবে না। এই জন্যই ওরে এটা আঁকতে দিয়েছিলাম। আমার যেই লাভ টা হল সেটা হল ঘটঘটানি বন্ধ। আমি দেখলাম ও কম্পাস আর স্কেল নিয়ে বসতেছে। আমি তো খুশি।শাওন এমনিতে ভালো ছেলে। সারাদিন পড়াশুনায় ডুবে থাকত। অন্যসব ছেলেরা যা করত ও ঐগুলার কিছুই করত না। ফার্স্টইয়ারের ছেলে গুলা অনেক রক্ত গরম টাইপের হয়। নতুন ভার্সিটি উঠছে,তার উপর ঢাকা শহরের বাতাস। সব কিছু মিলায়া একেবারে রঙিন দুনিয়া। আমাগো হলেই কয়েকটা পোলা ছিল যারা মদ,আফিম,হিরোইন,গাজ� �, আর মাইয়া লইয়া সারাদিন টাল হইয়া থাকত। আমি জানতাম প্রতিটা রুমেই একটা দুটো এরকম থাকেই। আমি যখন প্রথম যাই হলে থাকতে,তখন যেই রুমে ছিলাম সেটাতে দুটো আর্কিটেক্ট ভাইয়া ছিল। দেখতাম সারাদিন টাল হয়ে থাকত। আমারেও কয়েকদিন মদ নিতে কইছিল। নিছিলামও,কিন্তু খাইতে পারি নাই। এত জঘন্য জিনিস মনে হয় আমি এর আগে টেস্ট করি নাই। মদের থেকে মনে হয় মুতও বেশি মজা। আর সিগারেটের গন্ধই সহ্য করতে পারি না,গাঞ্জা তো দূরে থাক। কয়েকদিন অবশ্য পর্ণো মুভি দেখার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সেটাও ভালো লাগে নাই। সব গুলা একই রকম। কোন বৈচিত্র নাই। যখন দেখতাম তখন আমার এক্সাইটমেন্টই হইত না। তাই ঐটাও বেশিদিন করতে পারি নাই। হলের সবাই জানত আমাগো রুমে কোন রকমের উল্টাপাল্টা কাজ হইত না। এইজন্য একটা সুন্দর নামও ছিল আমাদের রুমটার। সেটা হল পবিত্র রুম। বুয়েটের জেরুজালেম (পবিত্র নগরী,যারা মুসলমান তারা হয়ত জেনে থাকবেন)। আর আমাগোরে মানে আমারে আর শাওন রে কইত পূত,পবিত্র মানুষ অথবা শিশু। পরে অবশ্য শিশু নামটাই বেশ প্রচলিত ছিল। তবে আমি যে ড্রিংক্স করতাম না তা একেবারে ঠিক না। আমার ওয়াইনটা খুব প্রিয়। আইস ওয়াইনটা বেশি লাইক করি। এখন সপ্তাহে অন্তত একবার এটা টেস্ট করি। আগে মাসে একবারও পাইতাম না। ব্রান্ডের মাঝে লাইক করতাম এলসিনো আর রেড সেভেন। অদ্ভুত জিনিস দুইটা। তবে প্রচুর দাম ছিল তখন। একটা এলসিনো’র বোটল ছিল ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। যেটা ছিল আমার সারা মাসের খরচ। আর পোলাপাইনরাও আনত না। কইত নেশা নাকি জমে না। অবশ্য মাঝে মধ্যে স্যারের বাসায় গেলে খাওয়া যাইত।একটু পর দেখলাম আমার মোবাইলের লাইটটা একবার জ্বলতাছে একবার নিভতাছে। হাতে নিয়ে দেখি সপ্নার ফোন। সপ্না এখন আমার বউ কিন্তু তখন আমার গার্লফ্রেন্ড ছিল। ও তখন ডি.এম.সি.বিদ্যুতের ঝলকে আদুল গায়ের লিকলিকে মেয়েটাকে দেখে জিজ্ঞাসা করলাম। -মেয়ে পাব কনে বলেন? -আগে তোমার চোখ ভাল হোক, তারপরে দিও। আবার হাত বাড়ালাম, পুর্ণ হাত রাখলাম, দুধের পরে, নড়বসল কিনতু উঠল না, মোলায়েম দুধ। -কালকেই চল আমার সাথে, আমার পরিচিত ডাক্তার আছে। বাচ্চাটা ইতিমধ্যে ঢলতে শুরু করেছে। আস্তে আস্তে দুধে হাত বোলাতে লাগলাম। কোমল দুধ। বাম হাত বাড়িয়ে শাড়িটা সরিয়ে দিলাম, ব্লাউজের প্রান্ত দিয়ে ডান হাতটা পুরে দিলাম, বেশ বড়, পুরোটা হাতে ধরছে না, কিনতু আশচর্য কোমল। কোথাও কোন ভাজ নেই, পরিপূর্ণ। -তোমার দুধ খুব সুন্দর। -দেখার কেই নেই তো, তাই হয়তো। বুজলাম অন্ধ হলেও তার মধ্যে একটা ফিলোসফি কাজ করছে। -তার মানে?-কেউ কোন দিন হাত দেয়নি তো, আপনি প্রথম হাত দিলেন। আশ্চর্য হলাম, -হাত দেয়নি মানে?I can’t explain it.”–বাদ দাও। তোমার মেয়েদের ব্যাপারে কোন ইন্টারেস্ট বা আইডিয়া আছে?–ইন্টারেস্ট আছে, কিন্তু কোন আইডিয়া প্রায় শূন্যের কোঠায়। তোমার কি ছেলেদের ব্যাপারে আছে ইন্টারেস্ট ?– না নাই। ইমারজেন্সি কলে সিঙ্গাপুর গেছে। আমি একা বাসাতে। প্লিজ আসো।আংকেল মানে আমার শ্বশুরও ডাক্তার ছিলেন। তখন ছিলেন মেডিকেলের প্রিন্সিপ্যাল, এখন রিটায়ার্ড করছেন । ও হল ওর আব্বু আম্মুর সিঙ্গেল মেয়ে, কোন ভাইবোন ছিল না । আর ওর আম্মুও ছোট থাকতেই মারা গিয়েছিলেন। অতএব বাসাতে একাই ছিল।–কিন্তু আমি তো আজকেই চলে যাওয়ার প্ল্যান করছি। সুমন আজই চলে যাবে। আমি পরে গেলে একা হয়ে যাবো।–“সুমন ভাইয়া গেলে গা,যাক গা। দরকার হয় আমি তোমার সাথে যাবো Ctg। প্লিজ আসবা বল, দুইদিনই তো,প্লিজ আসো না।” ও প্যানপ্যান শুরু করল–দেখি।– আসতোছ কখন?– জানি না,একটু পড়তে বসবো। তারপর টিউশনিতে যাব। ওখান থেকে ভালো লাগলে আসবো।–না, না, ভালো লাগার কিছু নাই। তুমি আসতেছ এটাই ফাইনাল ডিসিশন। আমি আর কিছুই শুনতে চাচ্ছি না।–তাহলে আসতে আসতে বিকেল হতে পারে।–নো প্রবলেম। তাইলে দেখা হবে তখন। খোদা হাফেজ, ভালো থাইকো।–ঠিক আছে, খোদা হাফেজ।এই বলে আমি কলটা কেটে দিলাম। প্রায় পাঁচ মিনিটের কল ছিল সেটা। এই পাগলীটা যদি আমার জীবনে না আসত তাহলে হয়ত আমি মেয়ে মানুষ কি জিনিসটাই জানতাম না। ওর সাথে পরিচয়টাও হয়েছিল হঠাৎ করে। সেই ঘটনাটা একটু বলি।আমি গিয়েছিলাম DMC তে একটা ভর্তি ফর্ম তুলতে। সেখানে গিয়ে ফর্মের কিউ দেখে আমারতো মাথা খারাপ হয়ে যাওয়ার অবস্থা। বুদ্ধি করলাম কোন স্টুডেন্টকে হাত করার । তাহলে হয়ত আমার কিউটাতে দাঁড়াতে হবে না। আমি একটা স্টুডেন্টের সার্কেলের পাশে গিয়ে ইন্টারাপ্ট করলাম। তখন মনে হয়েছিল ফ্রেন্ডদের সার্কেল। এক্সকিউজ মি বলতেই সপ্না ঘুরে আমার দিকে তাকাল। আমি পুরা বিষয়টা তাকে বলতেই ও একটা হাসি দিয়ে বলল, “চলেন আমার সাথে।” তখনও আমি জানি না যে আমি DMC’র প্রিন্সিপ্যাল এর মেয়ের সাথে কথা বলতেছিলাম।অফিস রুমে যাবার পথে ও অনেক কথা বলছিল। আমি শুধু হাঁ হু করছিলাম। সপ্নার চেহারাটা একটু লম্বাটে টাইপের গোল। কিছুটা প্যারাবোলা টাইপের। আর নাকটা খাড়া। যখন ও কথা বলছিল তখন এত দ্রুত হাত দুটো নাড়ছিল দেখে মনে হচ্ছিল ও স্ট্রিট ডান্সের প্র্যাকটিস করছে। আমার এখনও মনে আছে, ঐ দিন ও দুজনের গায়ে হাত লাগিয়ে দিয়েছিল। এজন্য ওকে স্যরিও বলতে হয়েছিল।সপ্নাকে সুন্দরী বলা যাবে কিনা সেটা আমি জানি না। তবে চেহারাটা দেখে কেমন যেন শান্তি শান্তি লাগে। মনের মাঝে একটা বিচিত্র আনন্দও অনুভূত হয়। এটার কারণ কি সেটা আমি এখন পর্যন্ত বুঝতে পারি নাই। সপ্নার হাইট সাধারণ মেয়েদের থেকে একটু বেশি। কিন্তু আমার থেকে চার ইঞ্চি শর্ট। প্রথম দেখায় ওকে মনে হয়েছিল পাঁচ ফুট পাঁচ হবে হয়ত। পরে জানলাম ও পাঁচ ফুট সাড়ে ছয়। লম্বাই বলা যায়। আমার ফর্মটা কোন ঝামেলা ছাড়াই ও কিনে দিল। এই জন্য থ্যাংকস, ট্যাংকস দিলাম। তারপর ফোন নাম্বারটাও চাইলাম, পরে এমন ফর্ম তুলতে কাজে লাগবে এই ভেবে। কিন্তু কে জানত এই মেয়েই যে আমার বউ হবে?”আমি হঠাৎ করে টের পেলাম আমি কথা বলতে চাচ্ছি কিন্তু বলতে পারছি না। আমার গলা যেন কে চেপে ধরেছে। সেটাই মনে হয় বাকরুদ্ধতা। বাকরুদ্ধ আমি অস্ফুট স্বরে বললাম, “অপূর্ব…….।”ও আমার সামনে কিছুক্ষণ পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমার সময়,ঘড়ি,টাইম কিছুই মাথায় ঢুকছিল না। আমি শুধুই তাকিয়ে ছিলাম অবাক বিস্ময় নিয়ে। আমার চেনা সপ্নাকে অচেনা ভাবে দেখছিলাম। ওর এত্ত রূপ আমার চোখে এর আগে কখনও ধরা পড়ে নাই।আমি কিছুই বললাম না। ও আমার বাড়াতে তেল মাখিয়ে খেঁচতে লাগলো। কেমন করে যেন খেঁচতেছিল। আমি কখনও Hand job এ এত মজা পাই নাই। ওর চোখ মুখেও একটা কামার্ত ভাব ছিল। তারপর আমি চোখ বন্ধ করে পুরো ব্যাপারটা অনুভব করতে লাগলাম। একটু পর ও বলল, “Would you like to give your dick into my mouth?”আমি হঠাৎ করে টের পেলাম আমি কথা বলতে চাচ্ছি কিন্তু বলতে পারছি না। আমার গলা যেন কে চেপে ধরেছে। সেটাই মনে হয় বাকরুদ্ধতা। বাকরুদ্ধ আমি অস্ফুট স্বরে বললাম, “অপূর্ব…….।”ও আমার সামনে কিছুক্ষণ পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমার সময়,ঘড়ি,টাইম কিছুই মাথায় ঢুকছিল না। আমি শুধুই তাকিয়ে ছিলাম অবাক বিস্ময় নিয়ে। আমার চেনা সপ্নাকে অচেনা ভাবে দেখছিলাম। ওর এত্ত রূপ আমার চোখে এর আগে কখনও ধরা পড়ে নাই।পরে জেনেছিলাম ও নাকি সেই রাতে পাক্কা চল্লিশ মিনিট আমাকে পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমাকে ডাক দেয় নাই কেন। ও বলেছিল আমার চেহারা দেখে নাকি ওর মায়া হচ্ছিল। আমাকে দেখে বলে মনে হচ্ছিল আমি একটা Innocent Child । ওরে চল্লিশ মিনিট দাঁড় করায় রাখার জন্য আমি পরে অবশ্য স্যরিও বলেছিলাম।তারপর ও আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আদুরে কণ্ঠে বলল, “স্পর্শ করবে না আমায়?

55 comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*